Breaking News

ক’রো’না’ ভাই’রা’স মা’ত্র ১০০ ঘ’ন্টা’র ম’ধ্যে ধ্বং’স ক’রে ফে’লা স’ম্ভবঃ ড. মুসা বিন শমসের

বিশ্বব্যাপী ল’কডা’উন সিস্টেম মোটেই উদার ধারণা নয়। ড. মুসা বিন শমসের এবং তার ব্যবসায়িক অংশীদার ভ’য়ঙ্ক’র অ’স্ত্র ব্যবসায়ী আদনান এম. কাশোগি (খাশো’কজি)বিশ্বের বহু দেশকে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকীকরণের জন্য বিরাট অবদান রেখেছেন। বিশেষভাবে আদনান কাশোগি উত্তর কোরিয়া এবং ইরানকে বিশ্বের সবচেয়ে

পারমাণবিক শ’ক্তিধর দেশ হিসাবে পরিণত করেছেন। ড. মূসা পুরোপুরি চ্যালেঞ্জ করে জানিয়েছিলেন যে, নাসা যদি সেলফার ডাস্টের সাথে পারমাণবিক ধূলিকণা
মিশ্রনে ঘন ধোঁয়া তৈরী করে এবং আমেরিকান এয়ার ফোর্সের মাধ্যমে এই ধোঁয়া সারা বিশ্বে ১০ হাজার ফুট উপরে থেকে ছড়িয়ে দিতে পারে তাহলে ক’রোনা ভাই’রাসের অস্তিত্ব

বিলীন হয়ে যাবে। মানব স্বাস্থ্যের ঝুঁ’কি এড়াতে বিজ্ঞানীরা আরও কিছু উপাদান যুক্ত করতে পারেন এর সাথে। বিশ্ব নেতৃবৃন্দের ধারণা নেই যে ক’রোনার ভাই’রাস আ’ক্রান্ত রো’গী’রা যারা সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গেছে তারা আবারও আ’ক্রান্ত হবে। সুতরাং, বিশ্ব নেতাদের

জন্য বিজ্ঞানীদের পরামর্শের ভিত্তিতে ড. মূসা বিন শমসেরের এই অভূতপূর্ব তত্ত্বটি বাস্তবায়নের জন্য সর্বসম্মতভাবে এগিয়ে আসার সময় এসেছে। অন্য কোনও চিকিৎসা এবং কোনও ও’ষুধই ক’রোনা ভাই’রাস নামক এই বি’পজ্জনক অনিবার্য ম’হামা’রী থেকে এই বিশ্বকে বাঁচাতে পারবে না। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ যদি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হন তবে কিয়ামতের দিনটি আসন্ন।

আরও পড়ুন..

ক’রোনা নিয়ে বিরাট সু’খবর দিলেন ডা. এম এ খান, বেঁচে যাবে কোটি বাঙ্গালীর প্রা`ণ কোভিড-১৯ ম’হামা-রিতে রো’গীদের অ্যান্টিভাইরাল, ইন্টারফেরন ও অ্যাজমার ও’ষুধ এমনকি ভেন্টিলেটর দিয়েও শেষ রক্ষা করা যাচ্ছে না।

ম’র্মান্তিক মৃ’ত্যু হয়েছে ১ লাখের বেশি মানুষের। এই মৃ’ত্যুকে কীভাবে রোখা যায়, সেই উপায় বের করাই এখন সবারলক্ষ্য। কোভিড-১৯ ভাই’রাসে সংক্রমিত হওয়ার পর জ্বর, কাশি ও গ’লাব্য’থা দেখা দেয়।

পরে ক’রোনা ভাই’রাস শ’রীরে ছড়িয়ে পড়তে থাকে এবং ফুসফু’সকে আ’ক্রমণ করে। আর এই প্রদাহকালীন নানা ধরনের সাইটোকাইন ও ক্যামোকাইন অধিক
পরিমাণে নিঃসৃত হয়ে ফুসফুসে সাইটোকাইন আলোড়ন তোলে। তখন রো’গী শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারে না। ধীরে ধীরে মৃ’ত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। এই পর্যায়ে রো’গীর

শ’রীরে প্যাসিভ ইমিউনিটি তৈরি করা সম্ভব হলে এই মৃ’ত্যুর মিছিল বন্ধ করা সম্ভব হবে। এতে ও’ষুধ পরীক্ষা করার ঝুঁ’কি কম, আছে সফলতা।সহজ ভাষায় বললে, যেসব কোভিড-১৯ আ-ক্রা-ন্ত রো’গী সুস্থ হয়েছেন তাদের শরী’রের র’ক্তের প্লাজমা গু’রুতর আ-ক্রা-ন্ত ব্যক্তির শ’রীরে প্রয়োগ করতে হবে।

তাহলে মা’রাত্ম’কভাবে আ’ক্রান্ত ব্যক্তির শ’রীরে দ্রু’ত রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা গড়ে উঠবে। এতে মৃ’ত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসবে রো’গী। ১৯১৮ সালে স্প্যানিশ ইনফ্লুয়েঞ্জা-নিউমোনিয়া, পরবর্তীকালে পোলিও, ইবোলা, সার্স এসব ভাই’রাসেই কার্যকর চিকিত্সা আবি’ষ্কারের আগে এই প্যাসিভ ইমিউনো থেরাপি অর্থাৎ কোনভেলিসেন্ট প্লাজমা

(যাতে রয়েছে ভাই’রাসকে নিষ্ক্রিয় করার মতো অ্যান্টিবডি) ব্যবহার করে ফল পাওয়া গেছে।চীনে সম্প্রতি কিছু রো’গীর ও’পর এই কোনভেলিসেন্ট প্লাজমা ব্যবহার করার ফলে রো’গীরা সু’স্থ হয়ে উঠেছে এবং এ নিয়ে আরো গবে’ষণা চলছে।

এই প্রা’ণঘা’তী রো’গে বিশেষ করে প্রবীণ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ও’পরে প্রয়োগ করলে মৃ’ত্যুঝুঁ’কি অনেকাংশে কমবে বলে গবে’ষণায় প্রমাণিত হয়েছে। হাইপার ইমিউন বা
কোনভেলিসেন্ট প্লাজমা বলতে সদ্য কোভিড-১৯ ভাই’রাসে আ-ক্রা-ন্ত পরবর্তীতে সুস্থ ব্যক্তির র’ক্তের প্লাজমাকে বোঝায়। এই প্লাজমাতে প্রচুর পরিমাণে নিউট্রালাইজিং

অ্যান্টিবডি রয়েছে, যা দ্রু’ততার স’ঙ্গে কোভিড-১৯ ভাই’রাসকে অকেজো করে দিতে পারে। এজন্য কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হওয়া রো’গীর র-ক্ত সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে।এরপর যেসব রো’গীর অবস্থা খা’রাপের দিকে যাবে, তাদের শ’রীরে হাইপার ইমিউন প্লাজমা প্রয়োগ করতে হবে। এভাবে চিকিত্সা করলে মৃ’ত্যু যেমন কমে আসবে,

তেমনি টিকা বা ও’ষুধ আবি’ষ্কারের আগ পর্যন্ত গু’রুতর আ-ক্রা-ন্ত রো’গীদের সুস্থ করার একটি পথ সৃষ্টি হবে। লেখক : অধ্যাপক, বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেন্টার, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতা

About shahidajannat.net

Check Also

১০ কো’টি টা’কা নি’য়ে স্বা’মী খুঁজছেন নিঃস’ঙ্গ না’রীরা

নিঃস’ঙ্গতার অ’বসান ঘটাতে কোটিপতি সৌদি নারীরা বিয়ের জন্য স্বামী খুঁজছেন। বিয়ের ক্ষেত্রে বিদেশি স্বামী এবং …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *