Breaking News

আমাকে গ্রে’ফতার করুন: জাফরুল্লাহ

মানুষের অধিকারে নিয়ে কথা বলা যদি অ’পরাধ হয় আমিও সেই একই অ’পরাধে অ’পরাধী আমাকেও গ্রে’ফতার করুন। সোমবার (৩ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচিতে এ কথা বলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

স’রকারবি’রোধী আন্দোলনের সময় আ’টক ছাত্রদের ঈদের আগেই মুক্তির দাবিতে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন ‘আ’টককৃত ওই ছাত্ররা কি কাউকে খু’ন করেছে, বলৎকার করেছে, চাঁ’দাবাজি বা ছি’নতাই করেছে?

তারা মানুষের অধিকারের কথা বলেছে যৌক্তিক প্র’তিবাদ করেছে। মানুষের অধিকারে কথা বলা যদি অ’পরাধ হয় আমিও সেই একই অ’পরাধে অ’পরাধী। আমাকেও গ্রে’ফতার করুন

তিনি আরও বলেন ‘১৯৫২ সালে ছাত্ররা অধিকারের কথা বলেছে বলেই আমরা ভাষার অধিকার পেয়েছি। দেশ স্বাধীন হয়েছে। অনেক স্বৈরশাসক স’রকারের পতন হয়েছে।আরো পড়ুন: নিজ হাতে কোরআনের পাণ্ডুলিপি লিখলেন ৭৬ বছরের বৃ’দ্ধা !

পুরো নাম জায়নাব আব্দুল গনি মুহাম্মাদ হুসাইন। সাত বছরের কর্মসাধ’নায় তিনি পবিত্র কোরআনের ৩০টি পাণ্ডুলিপি তৈরি করেছেন।পুণ্যবতী এ না’রী মিশরের মিনিয়া প্রদেশের আল-তালিন গ্রামের অধিবাসী। তিনি ৬ষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন।

জীবনসায়াহ্নে এসে নিজ হাতে পবিত্র কোরআনের ৩০টি পাণ্ডুলিপি লিখে তিনি অনন্যতার পরিচয় দিয়েছেন। প্রাস’ঙ্গিকতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার পাঁচ ছেলে এবং দুই মে’য়ে রয়েছে। আমার পিতা সম্পূর্ণ কোরআনের হাফেজ ছিলেন। তিনি এডুকেশন সেক্টরে কাজ করতেন। আমি প্রায় ৭ বছর পূর্বে কোরআন লেখার কাজ আরম্ভ করি।

সম্পূর্ণ কোরআন হেফজ করার প্রবল ই’চ্ছা থাকা সত্ত্বেও সময়স্বল্পতা ও আনুসাঙ্গিক বিভিন্ন কারণে পরিনি। এখন পর্যন্ত মাত্র ৬ পারা মুখস্থ করতে স’ক্ষম হয়েছি। এ জন্য আমার সবসময় খুব দুঃখবোধ কাজ করে।কিন্তু আমাদের এলাকার একজন না’রী আমাকে পবিত্র কোরআন নিজ হস্তাক্ষরে লেখার জন্য পরামর্শ দেন।

তার পরামর্শ আমাকে বেশ অনুপ্রা’ণিত করে। এরপর থেকে আমি প্রতি রাতে ঘুম থেকে উঠে প্রথম ৬ দিনে এক হাজার আয়াত লিখি। এতে আমার আ’গ্রহ আরো বেগ পায়। তাই সম্পূর্ণ কোরআন লেখায় মনোনিবেশ করি। গুরুত্ব ও আ’নন্দ-উচ্ছ্বাসের স’ঙ্গে তিনি আরো বলেন, আমি মাত্র ২৫ দিনে সম্পূর্ণ কোরআন লিখে শেষ করতে পেরেছি।

আমার স’ন্তান ঈমান ওম’রা যাওয়ার সময় স’ঙ্গে করে একখণ্ড পাণ্ডুলিপি নিয়ে যাবে। আশা করছি, পবিত্র কোরআনের বিশেষজ্ঞরা আমার তৈরিকৃত পাণ্ডুলিপিটি পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করবেন।

আরো পড়ুন: খোশ আম’দেদ মাহে রমজানুল মোবারক !
খোশ আম’দেদ মাহে রমজান রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত লাভের বাণী নিয়ে বিশ্বের মু’সলমানদের দুয়ারে আবারও উপস্থিত হয়েছে পবিত্র রমজান। মাসব্যাপী সিয়াম সাধ’নার মধ্য দিয়ে মু’সলমানরা এ তিন ধাপে ইবাদত-বন্দেগি করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের প্রশান্তি লাভ করবে।

সারা বছর জ্ঞাত-অ’জ্ঞাতসারে তারা যে পাপ করেছে, তা থেকে ক্ষমা পাওয়ার মোক্ষম মাস হল এ রমজান। সিয়াম সাধ’নার দ্বারা আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে তারা নাজাতের পথ খুঁজবে। হাজার রজনীর শ্রেষ্ঠ রজনী লাইলাতুল কদর রমজান মাসকে করেছে বিশেষভাবে মহিমান্বিত। এ রাতেই রাব্বুল আলামিন তার প্রিয় নবী হজরত মুহাম্ম’দের (সা.) ও’পর সর্বশেষ ঐশী গ্রন্থ পবিত্র কুরআন নাজিল করেছেন।

কুরআনের শিক্ষা হল বিশ্বাসী মানুষকে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক জীবনে অশেষ কল্যাণ দান করা। কৃচ্ছ্রসাধ’ন ও আত্মসংযমের এ মাসে তাই সংসারি মানুষ আল্লাহর প্রদর্শিত পথে চলার ওয়াদা করে, তাদের সবরকম গুনাহ্ মাফ করে দেওয়ার আকুল প্রার্থনা জানায়।

এ মাসে আল্লাহ তার বান্দাদের ক’ঠোর ত্যাগ, ধৈ’র্য, উদারতা ও সততা প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন। এবার ক’রোনা পরিস্থিতে রমজানে তারাবির নামাজে এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি ওয়াক্তে খতিব, ইমাম, হাফেজ, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন বলে ধর্ম ম’ন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এছাড়া জুমার নামাজে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে অংশ নিতে বলা হয়েছে। সবাইকে এ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মু’সলমানের উচিত ক’রোনাভা’ইরাসে থেকে মুক্তি লাভের জন্য আল্লাহতায়ালার দরবারে মোনাজাত করা। মহান আল্লাহ আমাদের এই বালা-মুসিবত থেকে রক্ষা করুন। আমরা প্রতি বছরই দেখি, রমজানে একশ্রেণির ব্যবসায়ী সততা আর ন্যায়নীতি ভু’লে অতি মুনাফা লাভের প্রতিযোগিতায় নামে। তারা রমজান মাসকে মুনাফা লোটার প্রায় হাতিয়ার করে ফে’লে।

জানা গেছে, বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও এবারও রমজান ঘিরে একশ্রেণির ব্যবসায়ী অতি মুনাফার লোভে কারসাজি শুরু করেছে। যথেচ্ছভাবে দ্রব্যমূ’ল্য বাড়ানোর এই প্রবণতা আমাদের ব্যবসায়ীদের কৃচ্ছ্র আর আত্মশুদ্ধির বিপরীতে নিয়ে গেছে যেন। রমজানের সংযমের শিক্ষা অনুসরণের বদলে তারা যেন আরও সুযোগসন্ধানী ও বে’পরোয়া হয়ে উঠেছে।

এ বাস্তবতায় রমজানে দ্রব্যমূ’ল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বাজার মনিটরিং জো’রদার করা প্রয়োজন। বর্তমান ক’রোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের কারণে সবচেয়ে ক’ষ্টে আছে দরিদ্র মানুষ। গরিব-দুঃখীদের বি’পদে সহায়তা করা রমজানের শিক্ষা। স’রকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরও দায়িত্ব রয়েছে গরিবদের পাশে এসে দাঁড়ানোর।

এ পবিত্র মাসে দেশের সব মু’সলমান ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী ত্যাগ ও কৃচ্ছ্রসাধ’নের মাধ্যমে ভ্রাতৃত্ব ও শান্তির আদর্শকে সমুন্নত রাখতে সচেষ্ট হবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

About shahidajannat.net

Check Also

ধ-র্ম নি-য়ে রু-চি-হী-ন প্র-শ্ন ব-ন্ধ হো-ক: বি-ব্র-ত চ-ঞ্চ-ল চৌ-ধু-রী

বাংলা নাটকের এক উজ্জ্বল নক্ষ’ত্র চঞ্চল চৌধুরী। এই পর্যন্ত ভিন্নধর্মী অভিনয় করে ভক্তদের হৃদয়ের মণিকোঠায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *